Category Archives: ভুল ও ভ্রান্ত ধারণা নিরসন

বিবাহের জন্য ধার-দেনা করার বিধান

প্রশ্ন: বিবাহের জন্য ঋণ বা ধার-দেনা করার বিধান কি? দলীলসহ জানতে চাই। উত্তর: وبالله سبحانه التوفيق আল্লাহ্‌ তাআলা বলেন:وَأَنكِحُوا الأَيامى مِنكُم وَالصّالِحينَ مِن عِبادِكُم وَإِمائِكُم إِن يَكونوا فُقَراءَ يُغنِهِمُ اللَّهُ مِن فَضلِهِ وَاللَّهُ واسِعٌ عَليمٌঅর্থ: “তোমাদের মধ্যে যাদের স্বামী বা স্ত্রী নেই তাদের বিয়ের ব্যবস্থা কর, তোমাদের দাস-দাসীদের মধ্যে যারা সৎ ও যোগ্য তাদেরও। তারা… Read More »

ওয়াসওয়াসা/আল্লাহ সম্পর্কে খারাপ চিন্তা আসলে কী করণীয়?

প্রশ্ন : ওয়াসওয়াসা/ আল্লাহ সম্পর্কে খারাপ চিন্তা আসলে কী করণীয়? Shamiul Alam Toshon উত্তর : وبالله سبحانه التوفيق  ‘ওয়াসওয়াসা’ শব্দের আভিধানিক অর্থ – গোপন শব্দ ও মনের খটকা (লিসানুল আরব)। আর শারীয়াতের পরিভাষায়, মনের মধ্যে ওয়াসওয়াসা দ্বারা কুমন্ত্রণা এবং মনের মধ্যে খারাপ ধারণা এবং খারাপ কর্ম করার মানসিকতা সৃষ্টি হওয়াকে বুঝানো হয়। এটা শয়তানের পক্ষ… Read More »

নার্সিং পেশায় জব করা কি বৈধ?

প্রশ্ন: শায়েখ কিছু জরুরি মাসআলা জানার প্রয়োজন ছিল,, (১)বর্তমানে যারা (মেয়েরা) নার্সিং পেশায় জব করে ((সরকারী/বেসরকারি))তাদের এই পেশাটা কতটুকু শরিয়ত সম্মত?? (২)স্বামী প্রতিষ্ঠিত(পরিবার চালানোর সক্ষমতা তার আছে) থাকা সত্ত্বেও কোন স্ত্রী কি জব করতে পারবে বিশেষত নার্সিং পেশায়?? (৩) পৃথিবীতে অনেক বিদ্যাই রয়েছে তারমধ্যে উল্ল্যেখযোগ্য চিকিৎসা বিদ্যা অর্থাৎ কোন মেয়ে যদি চিকিৎসা বিদ্যা অর্জন করে… Read More »

তালাকপ্রাপ্তার ইদ্দত স্বামীর বাড়ীর অন্যত্র পালন করা যাবে কি?

প্রশ্ন: আমার এক আত্মিয়কে তার স্বামী তিন তালাক দিয়েছে একসাথে,,মহিলার দুটো ছোট ছেলে আছে,,, এখন তার স্বামী বলছে যে মহিলা যেন স্বামির ঘরেই ইদ্দত পালন করে,, কিন্তু মহিলার আত্মিয় স্বজনদের মধ্যে অনেকে বলছে যে স্বামীর ঘরে ইদ্দত পালন করা নিরাপদ নয়,আবার সেখানে মহিলার কোন মাহরমও নাই যে তার দেখাশোনা করবে..(স্বামী পরিপূর্ণ দ্বিনদার না) এমতাবস্থায় জানার… Read More »

নমস্কার বা আদাব বলা যাবে কি?

প্রশ্ন:আসসালামুয়ালাইকুম,মুহতারাম মুফতী সাহেব, শরীয়তের দৃষ্টিতে একজন মুসলিমের পক্ষ থেকে কোন হিন্দু ধর্মাবলম্বীকে “আদাব” বা “নমস্কার” জানানোর হুকুম কি।  একান্ত প্রয়োজন হলে তাকে সালামের স্থলে السلام على من أتبع العديد বলা যায় এতটুকু জানি। তারপরও কেউ যদি উপরোক্ত শব্দ ব্যবহার করে তাহলে কি গোনাহগার হবে। From: Zishan Ahmad উত্তর: وبالله سبحانه التوفيق মানব সমাজে পারস্পরিক সাক্ষাতের সময় অভিবাদনের বিভিন্ন রীতিনীতি প্রচলিত। অভিবাদন জানানোর ক্ষেত্রে সম্প্রদায়-জাতি ও বিভিন্ন ধর্মের অনুসারীরা নিজ ধর্মবিশ্বাস, আদর্শ ও অভিরুচি অনুযায়ী একে অপরের সাক্ষাতের সময় বিভিন্ন শব্দ-ভাষা ও রীতি ব্যবহার করে সম্ভাষণ করে থাকেন। এমনই ধারায় বিধর্মীদের অভিবাদনের শব্দ হল, নমস্কার। ‘নমস্কার’ শব্দটি এসেছে মূল সংস্কৃত শব্দ ‘নমঃ’থেকে যার আভিধানিক অর্থ সম্মানজ্ঞাপনপূর্বক অবনত হওয়া।দেখা যাক, এ সম্পর্কে শাস্ত্র কি বলে ! “যো দেবো অগ্নৌ যো অপসু যো বিশ্বং ভূবনাবিবেশ য ওষধীষু যো বনস্পতি তস্মৈ দেবায় নমো নমঃ॥”(শ্বেতাশ্ব তর উপনিষদ ২-১৭)“যোগ যেমন পরমাত্মার দর্শনের সাধন বা উপায়, নমস্কারাদিও অনুরূপ বলিয়া তাঁহাকে নমস্কার জানাই।” তিনি কি রুপে? তিনি দেব অর্থাৎ পরমাত্মার প্রকাশভাব। তিনি কোথায়? তিনি আছেন অগ্নিতে, জলে, তৃণ-লতাদিতে, অশ্বাথাদি বৃক্ষে, তিনি এই বিশ্বভুবনে অন্তর্যামীরুপে অণুপ্রবিষ্ট হইয়া আছেন।” তাই যখন কাউকে নমস্কার জানানো হয় তখন মূলত সর্বজীবে অন্তর্যামীরুপে অবস্থিত পরমাত্মাকেই প্রণতি নিবেদন করা হয়, কোন মনুষ্যদেহকে নয়। কেউ কেউ এ শব্দের অর্থ বলেছেন- ‘আপনার অন্তঃস্থ ঈশ্বরকে আমি অন্তর দিয়ে অনুভব করছি ও সম্মান প্রদর্শন স্বরূপ তাঁর কাছে মাথা নত করে প্রণাম জ্ঞাপন করছি।’ (নাউজুবিল্লাহ)  এছাড়াও নমস্তে এবং নমস্কারম্ ব্যবহৃত হয়। নমস্কার কথাটি উচ্চারণ করা হয় হাতের তালুদুটোকে পরস্পর সংলগ্ন করে কিছুটা নত হয়ে, এই সময় আঙুলগুলো উপরের দিকে নির্দেশিত থাকে আর বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ বুকের কাছে থাকে। এই ভঙ্গিটিকে অঞ্জলি মুদ্রা বা প্রণামাসন বলা হয়। আবার কোনো শব্দ উচ্চারণ না করেও এই ভঙ্গিমাটি সম্পন্ন করা যায়, এতে অর্থের কোনো পরিবর্তন হয় না। প্রণামের ছয়টি রূপের একটি হল নমস্কার। নমস্কারএবং প্রণামকে অভিন্ন হিসেবেই মনে করা হয়। প্রণাম হল একটি “সম্মান সূচক অভিবাদন” বা “শ্রদ্ধাপূর্বক ভক্তি” কোন কিছুর সামনে বা কোন ব্যক্তিকে উদ্দেশ্য করে। সাধারণত এটা করা হয় দাদা, বাবা-মা, পিতামহ, গুরুজন, শিক্ষক বা বয়সে বড় বা সম্মানের উপযোগী এমন যে কাউকে। আবার, দেব দেবীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধাবোধ থেকেও এটি করা হয়। এটি ভারতীয় সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ মন্দিরে বা পূজার ষোড়শ উপচারের মধ্যে নমস্কার অন্যতম উপচার। অর্থাৎ শাস্ত্র অনুসারে, নমস্কার যেমন দেবদেবীর পুজোর একটি আচার, তেমনিই অতিথি বা অন্য ব্যক্তিকে সম্ভাষণেরও এক অঙ্গ। তৈত্তিরীয় উপনিষদ্ নামক প্রাচীন হিন্দু গ্রন্থে নমস্কারকে “অতিথিদেবো ভব” নামে অভিহিত করা হয়েছে (অর্থাৎ, অতিথি দেবতাতুল্য)। কিছু গ্রন্থে বলা আছে, কারোর কোনো দান বা উপহার গ্রহণে বিনয় জানাতে, অথবা কোনো ব্যক্তির কৃপার প্রতি ধন্যবাদ জানাতেও নমস্কার ব্যবহার করা যেতে পারে। (উইকিপিডিয়া ও ইন্টারনেট হতে সংগৃহিত) সুতরাং দেব-দেবীর… Read More »

জুমআ মুবারক বলার হুকুম

প্রশ্ন: জুম্মা মোবারক বলার ব্যাপক প্রচলন দেখা যায়। এভাবে বলা যাবে কি? কুরআন হাদীছের আলোকে বললে উপকৃত হবো। উত্তর: وبالله سبحانه التوفيق জুমআ আরবি শব্দ। জুমুআ–এর অর্থ একত্র হওয়া। আল্লাহতায়ালা এই দিনটিকে ঈদের দিন হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। এই দিনে মুসলিম উম্মাহ সাপ্তাহিক ঈদ ও ইবাদত উপলক্ষে মসজিদে একত্র হয় বলে দিনটাকে ইয়াওমুল জুমাআ বা জুমার… Read More »

শরীয়াহ আইন বিরোধিতার হুকুম কি?

প্রশ্ন: ইদানিং কেউ কেউ শরীয়া আইন বিরোধী বক্তব্য কটুক্তি কটাক্ষ মূলক পোস্ট কমেন্ট করছে অহরহ! এ ধরনের মানসিকতা পোষণ কারী ব্যক্তিদের বিধান কি হবে? মারূফ আব্দুল্লাহ। উত্তর: وبالله سبحانه التوفيق ইসলাম আল্লাহ্ পাকের একমাত্র মনোনীত ধর্ম। ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান। এর প্রতিটি বিধি-বিধান সর্বযুগে ও সর্বদেশে সর্বস্তরের মানুষের জন্য প্রযোজ্য। এ সম্পর্কে আল্লাহ কুরআনে… Read More »

মুহাররমের ১ তারিখে ১১৩ বার পুরো “بسم اللہ الرحمن الرحیم” এর ফযীলত কি প্রমাণিত?

প্রশ্ন: মুহাররমের ১ তারিখে ১১৩ বার পুরো “بسم اللہ الرحمن الرحیم” এর ফযীলত কি প্রমাণিত? উত্তর: وبالله سبحانه التوفيق হযরত মুফতি মুহাম্মদ শফি রহ. জাওয়াহিরুল ফিকহে লিখেছেন, যদি কোন ব্যক্তি মুহাররমের ১ তারিখে (আরবী নববর্ষের প্রথম দিনে) ১১৩ বার পুরো “بسم اللہ الرحمن الرحیم” কাগজে লিখে নিজের কাছে রাখে আল্লাহ তাআলা তাকে সর্বপ্রকারের বালা-মুসিবত থেকে… Read More »

নখ কাটার সুন্নাত নিয়ম কি?

প্রশ্ন: নখ কাটার সুন্নাত নিয়ম কি? জানিয়ে উপকৃত করবেন। উত্তর: وبالله سبحانه التوفيق নখ কাটার কোন সুন্নাত নিয়ম নাই। তাই যে কোন নিয়মেই কাটতে পারবে। যেমনটি ইমাম ইবনে হাজার আসকালানী রহ., ইবনে দাকীকুল ঈদ রহ., ইমাম সুয়ূতী রহ., ইমাম ইবনে আবিদীন শামী রহ. প্রমুখ মুহাক্কিকীন বলেছেন। তবে সব ভাল কাজই ডান দিক হতে করা মুস্তাহাব।… Read More »

হালাল প্রাণীর কোন অঙ্গ খাওয়া হারাম?

প্রশ্ন: হালাল প্রাণীর কোন অঙ্গ খাওয়া হারাম আর কোন অঙ্গ খাওয়া হালাল? উত্তর : وبالله سبحانه التوفيق হালাল প্রাণীর প্রবাহিত রক্ত খাওয়া হারাম ও নিষিদ্ধ। তবে যে রক্ত গোশতের সঙ্গে লেগে থাকে তাতে কোন অসুবিধা নেই। এ ছাড়া ৬টি জিনিস খাওয়া মাকরূহ তাহরীমী— ১. পিত্ত, ২. মূত্রথলি, ৩. চামড়া ও গোশতের মাঝে সৃষ্ট জমাট মাংসগ্রন্থি,… Read More »

গরুর ভুড়ি (বট) খাওয়া কি হালাল?

প্রশ্ন: গরুর ভুড়ি খাওয়া নিয়ে বিভিন্ন কথা শোনা যায়। আসলেই কি গরুর ভুড়ি বট খাওয়া হালাল? উত্তর : وبالله سبحانه التوفيق যে কোন হালাল পশুর ভুড়ি বা বট খাওয়া হালাল ও বৈধ। তবে খুব ভাল ভাবে পবিত্র-পরিস্কার করে খাবে। আল্লাহ তাআলা বলেন, قل لاَّ أَجِدُ فِي مَا أُوْحِيَ إِلَيَّ مُحَرَّمًا عَلَى طَاعِمٍ يَطْعَمُهُ إِلاَّ أَن… Read More »

কুরবানীর পশুর দাঁত ধর্তব্য নাকি বয়স?

প্রশ্ন: কুরবানীর পশুর দাঁত ধর্তব্য নাকি বয়স? উত্তর : وبالله سبحانه التوفيق হাদীস শরীফে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, ‎لَا تَذْبَحُوا إِلَّا مُسِنَّةً، إِلَّا أَنْ يَعْسُرَ عَلَيْكُمْ، فَتَذْبَحُوا جَذَعَةً مِنَ الضَّأْنِ. তোমরা (কুরবানীতে ) ‘মুসিন্না’ ছাড়া যবেহ করবে না। তবে সংকটের সময় ছ’মাস বয়সী ভেড়া দুম্বা যবেহ করতে পারবে। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৯৬৩… Read More »